সর্বশেষ

6/recent/ticker-posts

Header Ads Widget

চাচির বাড়িতে সেই দিন


 আমি রবি। আমার ক্লাস ১২-এর এক্সাম শেষ হওয়ায় আমি বাড়িতেই বেশি থাকি। ভাবছিলাম কোনো আত্মীয়র বাড়ি ঘুরতে যাবো। সকাল বেলা বাবা আমাকে বললো যে, তোর সোহেল চাচ্চুর কাছ থেকে মোবাইল চার্জারটা নিয়ে আয়। আমাদের মোবাইল চার্জারটা নষ্ট হয়ে যাওয়ায় সোহেল চাচ্চুর চার্জারটা আনতে গেলাম ওদের বাড়ি।

সোহেল চাচ্চুর বাড়িতে শুধু তার নতুন বিয়ে করা বউ আছে। সোহেল চাচ্চু একটা মাইক্রো ফাইন্যান্স কোম্পানিতে কাজ করে। তাই প্রত্যেক শনিবার বিকেলে আসে ও রবিবার থেকে সোমবার সকালে আবার কাজে চলে যায়। আমি দরজায় নক করতেই দরজা খুলে দিলেন চাচি। চাচির নাম রিয়া। বয়স মাত্র ২৫-২৬ হবে, কিন্তু ফিগারটা এমন যে দেখলে যেকোনো ছেলের ধোন খাড়া হয়ে যাবে। গায়ের রং ফর্সা, চোখ দুটো কাজল দিয়ে আরও আকর্ষণীয়, আর ঠোঁটটা লাল লিপস্টিকে ভরা। পরনে ছিল একটা পাতলা শাড়ি, যার নিচে ব্লাউজটা এতটাই টাইট যে তার ৩৬ সাইজের দুধ দুটো যেন ফেটে বেরিয়ে আসতে চাইছে। শাড়িটা নাভির নিচে বাঁধা, তাই তার মসৃণ পেট আর কোমরের বাঁক দেখে আমার মনে একটা অদ্ভুত অনুভূতি জাগলো।

"আরে রবি, তুমি? আসো ভিতরে আসো," চাচি হেসে বললেন, তার ঠোঁটের হাসিতে যেন একটা লুকানো আমন্ত্রণ ছিল। আমি ভিতরে ঢুকলাম, আর চোখ চলে গেল তার পাছার দিকে। শাড়ির নিচে প্যান্টি পরেনি মনে হয়, কারণ পাছার দুলুনিতে কোনো লাইন দেখা যাচ্ছে না। "চাচ্চু কোথায়? বাবা বললেন চার্জারটা নিতে," আমি বললাম, কিন্তু আমার চোখ তার দুধের খাঁজে আটকে গেল। চাচি লক্ষ্য করলেন সেটা, কিন্তু কিছু বললেন না, বরং হেসে বললেন, "তোমার চাচ্চু তো কাজে গেছে, রাতে ফিরবে। চার্জারটা আছে, কিন্তু আগে চা খাও। বাইরে এত গরম, ঘামে ভিজে গেছো।"

আমি সোফায় বসলাম, আর চাচি রান্নাঘরে গেলেন চা বানাতে। আমি অপেক্ষা করতে করতে তার শরীরের কথা ভাবছিলাম। চাচ্চুর সাথে বিয়ে হয়েছে মাত্র ৬ মাস, কিন্তু চাচ্চু সবসময় কাজে ব্যস্ত, তাই চাচি একা থাকেন। হয়তো তার শরীরের আগুন জ্বলছে, কিন্তু কেউ নেভাতে নেই। চাচি চা নিয়ে এলেন, আর আমার পাশে বসলেন। চা দিতে গিয়ে তার শাড়ির আঁচল সরে গেল, আর আমি দেখলাম তার দুধের অর্ধেকটা বেরিয়ে পড়েছে। গোলাপী নিপলটা একটু দেখা যাচ্ছে, আর আমার ধোনটা প্যান্টের ভিতরে শক্ত হয়ে উঠলো। "চাচি, তোমার শাড়িটা..." আমি বলতে গেলাম, কিন্তু চাচি হেসে বললেন, "আরে, লজ্জা পাচ্ছো কেন? তুমি তো আমার ভাতিজা, কিন্তু দেখতে যেন একটা জোয়ান ছেলে। তোমার চাচ্চু তো সবসময় বাইরে, আমি একা থাকি। কোনোদিন তো কথা বলার লোক নেই।"

চা খেতে খেতে চাচি আমার দিকে ঝুঁকে এলেন, তার দুধটা আমার হাতে ঠেকলো। আমার শরীরে বিদ্যুৎ খেলে গেল। "রবি, তুমি কি গার্লফ্রেন্ড করেছো? তোমার মতো হ্যান্ডসাম ছেলের তো অনেক হওয়া উচিত," চাচি বললেন, তার চোখে একটা কামনার চাহনি। আমি লজ্জায় বললাম, "না চাচি, এখনও না।" চাচি হাত রাখলেন আমার থাইয়ে, আর ধীরে ধীরে উপরে উঠতে লাগলেন। "তাহলে তোমার শরীরের চাহিদা কে পূরণ করে? আমার তো চাচ্চু নেই, আমার ইচ্ছে হয় কিন্তু কিছু করতে পারি না।" চাচির কথায় আমার ধোনটা ফুলে উঠলো, আর চাচি সেটা লক্ষ্য করে হাত দিয়ে ধরলেন। "ওহো, এটা তো খুব শক্ত হয়ে গেছে। চাচি তোমাকে সাহায্য করব?"

আমি কিছু বলার আগেই চাচি আমার প্যান্টের চেইন খুলে ধোনটা বের করে নিলেন। ৭ ইঞ্চি লম্বা ধোনটা দেখে চাচির চোখ চকচক করে উঠলো। "ওয়াও, তোমার চাচ্চুর থেকে অনেক বড়। আমি এটাকে চুষতে চাই।" চাচি নিচে নেমে ধোনটা মুখে নিলেন, আর চুষতে শুরু করলেন। তার জিভটা ধোনের মাথায় ঘুরতে লাগলো, আর আমি আহ আহ করে উঠলাম। চাচির মুখটা গরম, আর সে পুরো ধোনটা গিলে নেয়ার চেষ্টা করছেন। আমি তার চুল ধরে ঠেলে দিতে লাগলাম, আর চাচি গোঙাতে লাগলেন। "চাচি, তোমার দুধটা চুষবো," আমি বললাম। চাচি উঠে শাড়ি খুলে ফেললেন, আর ব্লাউজটা ছিঁড়ে ফেললেন। তার দুধ দুটো লাফিয়ে বেরিয়ে এল, গোল গোল, নিপলটা শক্ত হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। আমি একটা দুধ মুখে নিয়ে চুষতে লাগলাম, আর অন্যটা হাতে মলে দিতে লাগলাম। চাচি আহহহহহ করে উঠলেন, "রবি, জোরে চোষো, আমার দুধটা তোমার জন্য জ্বলছে।"

চাচি আমাকে টেনে বেডরুমে নিয়ে গেলেন। সেখানে সে পুরো নগ্ন হয়ে গেল, তার গুদটা দেখে আমার মুখে জল চলে এল। গুদটা ফর্সা, আর একটু ভিজে গেছে। চাচি বললেন, "রবি, আমার গুদটা চাটো। তোমার চাচ্চু কখনো চাটেনি।" আমি নিচে নেমে গুদটা চাটতে শুরু করলাম। জিভ দিয়ে ক্লিটটা চুষলাম, আর চাচি পা ছড়িয়ে দিয়ে গোঙাতে লাগলেন, "আহহহহ, রবি, তুমি আমার ইচ্ছে পূরণ করছো। জোরে চাটো, আমার রস বের হয়ে যাবে।" আমি আঙুল দিয়ে গুদের ভিতরে ঢোকালাম, আর চাটতে চাটতে চাচির রস বের করে দিলাম। চাচি কাঁপতে কাঁপতে উঠলেন, আর বললেন, "এবার তোমার ধোনটা ঢোকাও। আমার গুদটা তোমার জন্য অপেক্ষা করছে।"

আমি চাচিকে শুইয়ে দিয়ে ধোনটা গুদের মুখে রাখলাম। ধীরে ধীরে ঢোকাতে লাগলাম, গুদটা টাইট, কারণ চাচ্চু কম চোদেন মনে হয়। চাচি আহহহহ করে উঠলেন, "জোরে ঢোকাও, ফাটিয়ে দাও আমার গুদটা।" আমি জোরে ঠাপ দিতে শুরু করলাম, ধোনটা পুরো ঢুকে বের হচ্ছে, আর চাচির দুধ দুটো লাফাচ্ছে। চাচি আমার পিঠ খামচে ধরলেন, "রবি, চোদো আমাকে, তোমার চাচির গুদটা তোমার। আহহহহ, আরও জোরে।" আমি স্পিড বাড়ালাম, আর চাচি দুবার অর্গাজম হলেন। শেষে আমার মাল বের হওয়ার সময় চাচি বললেন, "ভিতরে ফেলো, আমি পিল খাই।" আমি গরম মাল দিয়ে চাচির গুদ ভরে দিলাম।

দুজনে চোদাচুদি শেষ শুয়ে রইলাম। চাচি বললেন, "রবি, তোমার চাচ্চু না থাকলে তুমি আসবে, আমার ইচ্ছে পূরণ করতে।" আমি হেসে বললাম, "নিশ্চয় চাচি, চা খেতে আসবো প্রত্যেকদিন।" চার্জার নিয়ে বাড়ি ফিরলাম, কিন্তু মনে মনে ভাবলাম, চাচির গুদের স্বাদ ভুলবো না কখনো। এখন থেকে চাচ্চুর বাড়ি যাওয়া বাড়বে।

কয়েকদিন পরের কথা। আমি রবি, এখনও বাড়িতে অলস সময় কাটাচ্ছি। সেই প্রথমবার চাচির সাথে চোদাচুদির পর থেকে আমার মনে শুধু তার শরীরের কথাই ঘুরছে। চাচির ফর্সা দুধ দুটো, তার টাইট গুদের গরম অনুভূতি, আর তার গোঙানির শব্দ – সবকিছু আমাকে পাগল করে দিয়েছে। চাচ্চু তো সবসময় কাজে ব্যস্ত, শনিবার রাতে আসে আর সোমবার সকালে চলে যায়। তাই চাচি একা থাকেন, আর আমি সুযোগ খুঁজছিলাম আবার যাওয়ার।

একদিন দুপুরবেলা, বাড়িতে কেউ নেই। আমি ভাবলাম, আজই যাই চাচির কাছে। ফোন করলাম চাচিকে, "চাচি, আমি আসছি একটু পরে। চাচ্চু কি বাড়িতে?" চাচি হেসে বললেন, "না রবি, তোমার চাচ্চু তো কাজে গেছে। তুমি আসো, আমি একা বসে আছি। চা বানিয়ে রাখবো।" তার কণ্ঠে যেন একটা লুকানো আমন্ত্রণ ছিল, আর আমার ধোনটা ফোনেই শক্ত হয়ে গেল। আমি তাড়াতাড়ি রেডি হয়ে চলে গেলাম ওদের বাড়ি।

দরজায় নক করতেই চাচি দরজা খুললেন। আজ পরনে একটা পাতলা নাইটি, যা তার শরীরের সবকিছু প্রায় দেখা যাচ্ছে। নাইটিটা সিল্কের মতো, তার ৩৬ সাইজের দুধ দুটো যেন নাইটির নিচে লাফাচ্ছে। নিপল দুটো শক্ত হয়ে ফুটে উঠেছে, আর নিচে প্যান্টি পরেনি মনে হয়, কারণ তার পাছার আকৃতি স্পষ্ট। চাচির চোখে কামনার চাহনি, ঠোঁটে লাল লিপস্টিক, আর চুল খোলা। "আসো রবি, ভিতরে আসো। গরমে ঘামে ভিজে গেছো," বলে সে আমাকে টেনে ভিতরে নিল। আমি ঢুকতেই সে দরজা বন্ধ করে দিল, আর আমার দিকে ঘুরে বলল, "সেইদিনের পর থেকে তোমার কথা ভেবে আমার শরীর জ্বলছে। তোমার চাচ্চু তো কোনো খোঁজ নেয় না, আমার ইচ্ছে হয় কিন্তু কিছু করতে পারি না। তুমি এসেছো ভালো হয়েছে।"

আমি আর সহ্য করতে পারলাম না। চাচিকে জড়িয়ে ধরলাম, আর তার ঠোঁটে চুমু খেতে শুরু করলাম। চাচির ঠোঁটটা নরম, লাল, আর সে আমার জিভটা চুষতে লাগল। আমার হাত তার পাছায় চলে গেল, নাইটির উপর দিয়ে পাছা দুটো মলে দিতে লাগলাম। চাচি গোঙাতে লাগল, "আহহহ রবি, জোরে ধরো। আমার পাছাটা তোমার হাতের জন্য অপেক্ষা করছে।" আমি নাইটিটা উপরে তুলে দিলাম, আর দেখলাম সত্যিই প্যান্টি নেই। তার পাছা দুটো গোল, ফর্সা, আর মাঝখানে তার গুদের লাইন দেখা যাচ্ছে। আমি একটা আঙুল দিয়ে গুদের চেরায় ঘষতে লাগলাম, আর চাচি কাঁপতে লাগল। "রবি, আমার গুদটা ভিজে গেছে। তুমি চাটো না, প্লিজ।"

আমি চাচিকে সোফায় শুইয়ে দিলাম, আর নাইটিটা পুরো খুলে ফেললাম। চাচি নগ্ন হয়ে গেল, তার শরীরটা যেন একটা মূর্তি – ফর্সা দুধ, পাতলা কোমর, আর গুদটা গোলাপী, ভিজে চকচক করছে। আমি নিচে নেমে গুদটা চাটতে শুরু করলাম। জিভ দিয়ে ক্লিটটা চুষলাম, আর চাচি পা ছড়িয়ে দিয়ে আমার মাথা চেপে ধরল। "আহহহহ রবি, জোরে চোষো। তোমার জিভটা আমার গুদের ভিতরে ঢোকাও। ওহহহহ, আমার রস বের হয়ে যাবে।" আমি দু আঙুল দিয়ে গুদের ভিতরে ঢোকালাম, আর চাটতে চাটতে তার গুদের রস বের করে দিলাম। চাচি কাঁপতে কাঁপতে অর্গাজম হল, তার রস আমার মুখে লেগে গেল। "রবি, তুমি আমাকে পাগল করে দিলে। এবার তোমার ধোনটা দাও, আমি চুষবো।"

চাচি উঠে আমার প্যান্ট খুলে ফেললেন, আর আমার ৭ ইঞ্চি ধোনটা বের করে নিলেন। ধোনটা দেখে তার চোখ চকচক করে উঠল, "ওয়াও, এটা তো আরও শক্ত হয়েছে। তোমার চাচ্চুরটা এত বড় না।" চাচি ধোনটা মুখে নিয়ে চুষতে শুরু করলেন। তার জিভটা ধোনের মাথায় ঘুরছে, আর সে পুরো ধোনটা গিলে নেয়ার চেষ্টা করছেন। আমি তার চুল ধরে ঠেলে দিতে লাগলাম, আর চাচি গলা দিয়ে গোঙাতে লাগলেন, "গ্লক গ্লক" শব্দ হচ্ছে। তার লালা ধোনটা ভিজিয়ে দিল, আর আমার বলস দুটো সে হাত দিয়ে মলে দিচ্ছে। "চাচি, তোমার মুখটা এত গরম, আমার মাল বের হয়ে যাবে," আমি বললাম। চাচি উঠে বললেন, "না, মালটা আমার গুদে ফেলো। কিন্তু আজ অন্যভাবে চোদো আমাকে।"

চাচি আমাকে টেনে বেডরুমে নিয়ে গেলেন। সেখানে সে ডগি স্টাইলে হাঁটু গেড়ে বসল, তার পাছা উঁচু করে। "রবি, পিছন থেকে ঢোকাও। তোমার চাচ্চু কখনো এভাবে চোদেনি।" আমি তার পাছার পিছনে দাঁড়ালাম, ধোনটা গুদের মুখে রাখলাম। গুদটা এখনও ভিজে, তাই সহজেই ঢুকে গেল। আমি জোরে ঠাপ দিতে শুরু করলাম, ধোনটা পুরো ঢুকে বের হচ্ছে, আর চাচির পাছায় থাপ্পড় মারার শব্দ হচ্ছে – থাপ থাপ থাপ। চাচি চিৎকার করে উঠল, "আহহহহ রবি, জোরে চোদো। আমার গুদটা ফাটিয়ে দাও। ওহহহহ, তোমার ধোনটা আমার জরায়ুতে ঠেকছে।" আমি তার পাছায় চড় মারতে লাগলাম, লাল করে দিলাম, আর চাচি আরও উত্তেজিত হয়ে গেল। "হ্যাঁ, মারো আমার পাছায়। আমি তোমার দাসী, চোদো আমাকে যত খুশি।"

আমি স্পিড বাড়ালাম, তার কোমর ধরে টেনে টেনে ঠাপ দিচ্ছি। চাচির দুধ দুটো লাফাচ্ছে, সে হাত দিয়ে তার ক্লিট ঘষছে। "রবি, আমি আসছি... আহহহহহ!" চাচি দুবার অর্গাজম হল, তার গুদের রস ধোনটা ভিজিয়ে দিল। আমারও মাল বের হওয়ার সময় হল, "চাচি, কোথায় ফেলবো?" চাচি বললেন, "পাছায় ফেলো, আমার পাছার গর্তে। আমি চাই তোমার গরম মাল সেখানে।" আমি ধোনটা বের করে তার পাছার গর্তে ঢোকালাম। গর্তটা টাইট, কিন্তু রসে ভিজে সহজ হল। আমি জোরে ঠাপ দিতে লাগলাম, আর শেষে গরম মাল দিয়ে তার পাছা ভরে দিলাম। মালটা বেরিয়ে তার পাছা দিয়ে গড়িয়ে পড়ছে।

দুজনে হাঁপাতে হাঁপাতে শুয়ে পড়লাম। চাচি আমার বুকে মাথা রেখে বললেন, "রবি, তুমি আমার জীবনের সেরা চোদন দিলে। প্রত্যেকদিন আসো, আমার শরীর তোমার জন্য।" আমি হেসে বললাম, "চাচি, নিশ্চয়। তোমার গুদ আর পাছা আমার ফেভারিট।" সেইদিন থেকে চাচির সাথে আমার চোদাচুদির সিরিজ শুরু হল, প্রত্যেক সুযোগে নতুন নতুন পজিশনে। চাচির ইচ্ছে পূরণ করতে আমি সবসময় রেডি।

দুজনে হাঁপাতে হাঁপাতে শুয়ে পড়লাম বেডে। চাচির নগ্ন শরীরটা আমার পাশে লেপ্টে আছে, তার ফর্সা দুধ দুটো উঠানামা করছে শ্বাসের তালে। তার পাছার গর্ত থেকে আমার গরম মালটা এখনও গড়িয়ে পড়ছে, থাইয়ের উপর দিয়ে নেমে বিছানায় ছড়িয়ে যাচ্ছে। চাচির চোখ দুটো অর্ধেক বোজা, ঠোঁটে একটা সন্তুষ্ট হাসি, আর তার হাতটা আমার ধোনের উপর রাখা – যেন এখনও সেটাকে ছাড়তে চাইছে না। আমার ধোনটা এখনও অর্ধেক শক্ত, চাচির পাছার গরম অনুভূতিতে ভরা। "রবি, তুমি আমাকে আজ যা দিলে, তা আমার জীবনের সেরা অনুভূতি," চাচি ফিসফিস করে বললেন, তার আঙুল দিয়ে আমার ধোনের মাথাটা ঘষতে ঘষতে। "তোমার চাচ্চু তো কখনো এভাবে চোদেনি, পিছন দিয়ে ঢোকানো তো দূরের কথা। তুমি আমার শরীরের প্রত্যেক গর্ত পূরণ করলে। আহহহ, এখনও আমার পাছাটা জ্বলছে, কিন্তু এই জ্বালা আমি চাই প্রত্যেকদিন।"

আমি চাচির দিকে ঘুরে তার দুধটা হাতে নিয়ে মলে দিলাম। নিপলটা শক্ত হয়ে দাঁড়িয়ে আছে, আমি সেটাকে আঙুল দিয়ে টেনে দিলাম। চাচি আহ করে উঠলেন, "রবি, তুমি থামবে না? আমার শরীরটা তোমার স্পর্শে আবার জেগে উঠছে।" আমি হেসে বললাম, "চাচি, তোমার শরীরটা এমন যে থামতে ইচ্ছে করে না। তোমার দুধ দুটো এত নরম, গুদটা এত টাইট, আর পাছাটা তো যেন স্বর্গের দরজা। আমি তোমাকে প্রত্যেকদিন চুদবো, নতুন নতুন ভাবে।" চাচি আমার বুকে মাথা রেখে বললেন, "হ্যাঁ রবি, প্রত্যেকদিন আসো। তোমার চাচ্চু যখন বাইরে থাকে, তুমি আমার স্বামীর মতো হয়ে যাবে। আমি তোমার জন্য রান্না করবো, চা বানাবো, আর তারপর তোমার ধোনটা চুষে তোমাকে সুখ দেবো। কিন্তু একটা কথা, কাউকে বলো না। এটা আমাদের গোপন।"

আমি চাচির ঠোঁটে চুমু খেয়ে বললাম, "চাচি, এটা আমাদের গোপন রহস্য। কিন্তু আজ তোমাকে আরও একটা নতুন জিনিস শেখাবো।" চাচি চোখ বড় করে বললেন, "কী? আরও? আমার শরীর তো এখনও কাঁপছে।" আমি উঠে বসলাম, আর চাচিকে টেনে আমার উপর তুলে নিলাম। "এবার তুমি উপরে থাকবে, কাউগার্ল স্টাইলে। তুমি নিজে চুদবে আমাকে।" চাচি হেসে উঠলেন, তার দুধ দুটো লাফিয়ে উঠল। "ওহো, তাই? ঠিক আছে, দেখি কেমন লাগে।" চাচি আমার ধোনটা হাতে নিয়ে আবার শক্ত করে তুললেন, কয়েকবার হাত দিয়ে ঘষে। তারপর সে তার গুদের মুখে ধোনটা রেখে ধীরে ধীরে বসতে লাগল। গুদটা এখনও ভিজে, আমার মাল আর তার রস মিশে স্লিপারি হয়ে আছে। "আহহহহ রবি, তোমার ধোনটা এত মোটা, আমার গুদটা ভরে যাচ্ছে," চাচি গোঙাতে গোঙাতে পুরো ধোনটা গিলে নিলেন।

চাচি উপরে বসে উঠানামা করতে শুরু করলেন। তার দুধ দুটো লাফাচ্ছে, আমি হাত দিয়ে ধরে মলে দিচ্ছি। চাচির পাছা আমার থাইয়ে থাপ্পড় মারছে – থাপ থাপ থাপ শব্দ হচ্ছে। "ওহহহহ রবি, এভাবে চোদা তো অসাধারণ। তোমার ধোনটা আমার গুদের গভীরে ঢুকছে, জরায়ুতে ঠেকছে। আহহহহ, জোরে... আমি স্পিড বাড়াবো।" চাচি জোরে জোরে উঠানামা করতে লাগলেন, তার চুল উড়ছে, ঘামে শরীর চকচক করছে। আমি নিচ থেকে ঠাপ দিতে লাগলাম, তার কোমর ধরে। "চাচি, তোমার গুদটা আমার ধোনকে চেপে ধরেছে, যেন ছাড়বে না। চোদো আমাকে, তোমার ইচ্ছে মতো।" চাচি চিৎকার করে উঠলেন, "রবি, আমি আসছি... আহহহহহহ! তোমার সাথে চোদাচুদি তো স্বর্গ।" চাচির গুদের রস বেরিয়ে আমার ধোন ভিজিয়ে দিল, সে কাঁপতে কাঁপতে আমার উপর ঢলে পড়ল।

আমার মাল এখনও বাকি ছিল, তাই আমি চাচিকে উল্টো করে শুইয়ে দিলাম। "চাচি, এবার মিশনারি স্টাইলে শেষ করি।" চাচি পা ছড়িয়ে দিলেন, "হ্যাঁ রবি, ঢোকাও। আমার গুদটা তোমার মালের জন্য অপেক্ষা করছে।" আমি ধোনটা আবার গুদে ঢোকালাম, জোরে জোরে ঠাপ দিতে লাগলাম। চাচির দুধ লাফাচ্ছে, সে আমার পিঠ খামচে ধরেছে। "আহহহহ রবি, ফাটিয়ে দাও আমার গুদ। তোমার মোটা ধোনটা আমাকে পাগল করে দিচ্ছে। ওহহহহ, আরও জোরে!" আমি স্পিড বাড়ালাম, ঘামে আমাদের শরীর লেপ্টে গেছে। শেষে আমার মাল বের হওয়ার সময় চাচি বললেন, "ভিতরে ফেলো, আমাকে ভরে দাও।" আমি গরম মাল দিয়ে চাচির গুদ ভরে দিলাম, সে আহহহহ করে অর্গাজম হল আবার।

এবার সত্যিই দুজনে ক্লান্ত হয়ে শুয়ে রইলাম। চাচি আমাকে জড়িয়ে ধরে বললেন, "রবি, তুমি আমার জীবনের আলো। সেইদিন থেকে চাচির সাথে আমার চোদাচুদির সিরিজ শুরু হল। প্রত্যেক সুযোগে নতুন নতুন পজিশনে – কখনো রান্নাঘরে, কখনো বাথরুমে, কখনো ছাদে। চাচির ইচ্ছে পূরণ করতে আমি সবসময় রেডি। কখনো আমরা রোলপ্লে করি, চাচি আমাকে 'স্যার' বলে ডাকে, আর আমি তাকে 'দাসী' বানাই। কখনো আমরা তেল মালিশ করে চোদাচুদি করি, শরীর চকচক করে। চাচ্চু যখন বাড়িতে থাকে না, তখন আমাদের রাত কাটে চোদাচুদিতে। একদিন চাচি আমাকে বললেন, 'রবি, তোমার সাথে আমি একটা বেবি চাই।' আমি হেসে বললাম, 'চাচি, তাহলে প্রত্যেকদিন চুদবো তোমাকে, যতক্ষণ না হয়।' আমাদের গোপন সম্পর্ক চলতে থাকল, আর প্রত্যেকবার নতুন উত্তেজনা যোগ হয়। চাচির শরীরের স্বাদ আমার জীবনের সেরা উপহার। এখন থেকে চাচ্চুর বাড়ি যাওয়া আমার দৈনন্দিন রুটিন। 

Post a Comment

0 Comments